Tuesday February 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১ এ ১২:০৬ AM

এক নজরে

কন্টেন্ট: পাতা

একনজরে,

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর বাংলাদেশে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, উন্নয়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদুরপ্রসারী চিন্তাধারার ফলশ্রুতিতে ও তাঁর দিক-নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে আগষ্ট মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ৪টি পরিসংখ্যান অফিস (পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি পরিসংখ্যান ব্যুরো ও কৃষি শুমারি কমিশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আদমশুমারি কমিশন)-কে একীভূত করে সৃষ্টি করা হয় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো । সে সময়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর অধীন ২৩ আঞ্চলিক পরিসংখ্যান কার্যালয় ছিলো। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের জুলাই মাস থেকে পূর্বের ২৩ টি আঞ্চলিক পরিসংখ্যান কার্যালয় বিলুপ্ত করে বর্তমানে ৮ টি বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিস ও ৬৪ টি জেলা পরিসংখ্যান অফিস গঠন করা হয়। বর্তমানে বিভাগীয় পরিসংখ্যান কার্যালয় একজন যুগ্মপরিচালকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। আর জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা একজন উপ পরিচালক। ০৭ (সাত) টি উপজেলা নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা জেলায় ০৭ (সাত) টি উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালয় আছে এবং উপজেলা কার্যালয়সমূহ জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের অধীনে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন